**একাদশ শ্রেণীতে মেনুয়াল ভিত্তিতে ভর্তির কার্যক্রম চলছে। **প্রতিদিন অনলাইনে সকল ক্লাস চলছে। **২১/১০/২০২০ এ শহীদ মোয়াজ্জম অডিটোরিয়াম এর সংস্কারকৃত কাজের পরিদর্শন ও উদযাপন অনলাইনে হতে যাচ্ছে **ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য পেতে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কলেজে এসে যোগাযোগ করতে পারেন (০১৭১৬০৩১৮৩০, ০১৭৬৯৭৮৪১৯০)** কলেজ EIIN No.- 117112**   **শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে নেয়ার জন্য অনলাইনে পাঠ দান ও পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে। **পরীক্ষার রুটিন ও প্রশ্নপত্র www.e-librarynavycollegekhulna.org ওয়েভ সাইটে পাওয়া যাবে। ** কলেজ গেটে ব্যাংক বুথে প্রতি কার্যদিবসে সকল বকেয়া পরিশোধ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। ** বিস্তারিত তথ্যের জন্য শ্রেণী শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বলা হল। অধ্যক্ষ, বি এন স্কুল এন্ড কলেজ খুলনা |

ক্যালেন্ডার

There are no upcoming events.

নোটিশ

শিক্ষার্থী ডিসিপ্লিন

পড়ুয়া ছাত্র হলেই যে সে ভাল ছাত্র হবে এমন কোন কলথা নেই। সত্যি কথা বলতে ভাল ছাত্রের সংজ্ঞা আরও ব্যপক। পড়াশুনা ভাল হওয়াটা ছাত্রদের জন্য দরকারী গুন। তাহলেও পুরোপুরি ভাল ছাত্র হিসেবে পরিচয় দিতে গেলে নিচের উপদেশগুল কঠরভাবে মেনে চলতে হবে।
১। নিয়মানুবর্তিতা ও সময়ানুবর্তিতা:
নিয়মিত এবং সময়মত কলেজে আসার অভ্যাস করতে হবে। প্রত্যেক দিন সমাবেশে অংশগ্রহণ করতে হবে। দেরিতে আসা বা এ নিয়মের প্রতি অশ্রদ্ধা বা অবজ্ঞা প্রকাশ করলে তাকে কলেজ পরিত্যাগ করতে হবে।
২। অনুপস্থিতি:
স্বাস্থ্যগত বা অন্য কোন সংগত কারণে অনুপস্থিত থাকলে কারণ ও তারিখ উল্লেখ করে অনুপস্থিতির পর প্রথম যেদিন কলেজে আসবে সেদিনই অভিভাবকের প্রতি স্বাক্ষর করা আবেদনপত্র অধ্যক্ষের কাছে শ্রেণী শিক্ষকের মাধ্যমে দাখিল করতে হবে।
একদিন অনুপস্থিতির জন্য কলেজ শাখার জন্য ৫০ টাকা এবং স্কুল শাখার জন্য ২০ টকা হারে এবং একদিন পলায়নের জন্য ২০০ টাকা হারে জরিমানা দিতে হবে।
অভিভাবকের লিখিত অনুরোধ ব্যতিত খন্ডকালীন ছুটি মঞ্জুর করা হবে না।
বিনা অনুমতিতে পর পর এক মাস হাজির না হলে হাজিরা খাতা থেকে নাম কাটা যাবে এবং ইচ্ছা থাকলে পরবর্তি মাসে পুনঃ ভর্তি ফি সহ এক মাসের পুর্ণ বেতন প্রদান করে নাম লেখান যাবে।
বিনা অনুমতিতে পর পর ২ই মাস উপস্থিত না হলে তাকে পুনঃ ভর্তির সুযোগ দেয়া হবে না।
৯ম, ১০ম একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র/ছাত্রী অবিরত এক্মাস বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকলে শিক্ষাবোর্ডের নিয়মে শিক্ষা বিরতি হবে এবং স্বীয় উদ্বেগে নির্ধারিত ফি দাখিল করে শিক্ষা বোর্ড সমীপে পরিমার্জন আদেশ প্রার্থনা করতে হবে এবং আদেশ পাবার পর কলেজ কর্তৃপক্ষের সন্তস্টির পর পুনঃ ভর্তি করা যেতে পারে।
অহেতুক অনুপস্থিতি ডায়েরির মাধ্যমে অভিভাবকের গভোরীভুত করা হবে।

৩। আচরণঃ
নিয়মিত এবং সময়মত কলেজে উপস্থিত হওয়া, শ্রেণি ও বাড়ির কাজে বিশেষ মনোযোগী হওয়া প্রতিটি ছাত্র/ছাত্রীর প্রাথমিক তিনটি প্রয়োজনের মধ্যে পড়ে।

প্রত্যেক ছাত্র/ছাত্রীকে তার সহপাঠীদের সাথে হৃদ্যতাপূর্ণ ব্যবহার, উপরের শ্রেণীর ছাত্রদের সম্মান ও শ্রদ্ধা করা এবং নিচের শ্রেণীর ছাত্রদেরও স্নেহ করার মত সুন্দর আচরনের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে তার নিজ নিজ শিক্ষকদের সম্মান প্রদর্শন করতে হবে এবং তাদের আদেশ ও উপদেশ পালন করতে হবে।

কলেজের বিরতির সময় বা যখন শ্রেণী কক্ষে শিক্ষক থাকবেননা বারান্দা দিয়ে দৌড়া-দৌড়ি কিংবা চিৎকার করা বা অন্য কোন রকম অশালীন আচারণ করা চলবে না।

শ্রেণীকক্ষের ভেতর খেলা-ধূলাকরা, চেয়ার, টেবিল, বেঞ্চ, বই, খাতা, দেওয়াল প্রভৃতিতে দাগ দেওয়া কিংবা নোংরা করা, কোন কিছু ভাঙ্গা বা নষ্ট করা শাস্থি যোগ্য অপরাধ।

কলেজের যাবতীয় সম্পদের যত্ন নেয়া ও রক্ষণা বেক্ষণ প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য। কলেজের আসবাবপত্র, সাজ-সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, বই-খাতা, তৈজস পত্র প্রভূতির কোন প্রকার ক্ষতি সাধন করলে সে জন্য ক্ষতি পূরণ আদায় করা হবে।

প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর তার স্ব স্ব বই, খাতা, কলম, পেন্সিল, রাবার, রুলারজমা, কাপড় প্রভূতির রক্ষণা-বেক্ষণ ও যত্ন নেয়ারজন্য দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ ব্যাপারে কলেজ দায়ী হবেনা। এসব জিনিস পত্র রাখার জন্য ব্যাগ, বাক্স ব্যবহার করা বাঞ্ছনীয়। উল্লেখ্য যে প্রত্যেক ছাত্র/ছাত্রীকে তাদের খাবার পানি সাথে আনতে হবে।

ছাত্র/ছাত্রীদের কলেজে কোন মূল্যবান জিনিসপত্র না আনাই বাঞ্ছনীয়।
সকলছাত্র/ছাত্রীকে কলেজ কর্তৃপক্ষের সকল আদেশ / নিষেধ মেনে চলতে হবে না হলে সেটা শাস্তি যোগ্য অপরাধ বলে বিবেচিত হবে।

৪। কলেজের পরিচ্ছদঃ

সকলছাত্র/ছাত্রীকে কলেজের নির্ধারিত পোশাক পরে পরি-পাটি অবস্থায় কলেজে আসতে হবে। এ ব্যাপারে অন্যথা হলে কলেজে প্রবেশ করতে দেওয়া হবেনা।

৫। অতিরিক্ত কর্মকান্ডঃ

শেণীর পড়াশুনা ছাড়া অতিরিক্ত কর্মকান্ডের সাথেও ছাত্র- ছাত্রীদের জড়িত থাকতে হবে। যেমন- সি-স্কাউটিং, সি-গাইডিং, বি, এন, সি,সি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ক্রীড়ানুষ্ঠান, বনভোজন, বাগান করা, পরিচ্ছন্ন অভিজান, শিক্ষাসফর শিল্প-কলকারখানা পরিদর্শন ইত্যাদি।

৬। খেলাধূলা ও ক্রীড়ানুষ্ঠানঃ

ক) কলেজে নিজস্ব খেলার মাঠ রয়েছে। কলেজের বিভিন্ন শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে নিয়মিত খেলাধূলা করবার সকল ব্যবস্থা আছে। নিয়মিত অনুশীলন দিয়ে সুশৃংখল ক্রীড়া গোষ্ঠি বা ক্রীড়াবিদ তৈরি করবার লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ বিশেষ যত্নবান থাকবেন।

খ) শিক্ষা বর্ষের প্রারম্ভেই বাৎসরিক সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অভিভাবক মন্ডলীকে এ অনুষ্ঠান উপভোগের জন্য নিমন্ত্রণ জানানো হয়।

৭। অভিভাবক সম্মিলনী দিবসঃ

যে দিন অভিভাবক সম্মিলণী দিবস পালিত হবে, সে দিন অভিভাবকগণ তাদের অনুযোগ ইত্যাদি তুলে ধরতে পারবেন এবং পরামর্শ দান করে কলেজের উন্নতি বিধানে সহায়তা করতে পরবেন। শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টিই এ দিবসের লক্ষ্য।