বি এন স্কুল এন্ড কলেজ খুলনায় ১ম থেকে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলিতেছে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য সকাল ৯.০০ থেকে দুপুর ১.০০ মধ্যে একাউন্ট সেকশনে যোগাযোগ করুন।

ক্যালেন্ডার

There are no upcoming events.

নোটিশ

প্রসপেক্টাস প্রস্তুতকরণের কৌশল

১। সকল বিষয়ের কোর্সপ্লান, পাঠ শিরোনাম, বাড়ির কাজ, শ্রেণি অভিক্ষা, পাঠদানের তারিখ ইত্যাদি কার্যক্রমের তালিকা দ্বারা প্রতি ক্লাসের জন্য একটি করে প্রসপেক্টাস তৈরী করা হবে
২। প্রসপেক্টাসে উল্লেখিত নির্দেশনা মোতাবেক শ্রেণির কাজ, বাড়ির কাজ ও শ্রেণি অভিক্ষা পরিচালিত হবে।
৩। সকল বিষয় শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর নিকট নিজ নিজ শ্রেণির একটি করে প্রসপেক্টাস থাকবে।
৪) একটি পর্বের সিলেবাসকে ২০ ভাগে ভাগ করে ২০ কোর্স প্লান প্রস্তত করা হবে।
৫) প্রতি পর্বের কোন শ্রেনীর একটি বিষয়ের জন্য যতটি ক্লাস থাকবে ততটি ক্লাসের মাধ্যমে ২০টি কোর্স প্লানের পাঠদান এবং রিভিশন সম্পন্ন করা হবে।
৬) প্রতি শ্রেণি পাঠদানের জন্য একটি করে পাঠ শিরোনাম থাকবে।
৭) কোন বিষয়ের ক্লাসের সংখ্যা ২০টির অধিক হলে ১টি কোর্স প্লানের বিপরীত একাধিক পাঠ শিরোনাম থাকবে এবং কোন বিষয়ের ক্লাসের সংখ্য ২০টির কম হলে একাধিক কোর্স প্লানের বিপরীতে একটি পাঠ শিরোনাম থাকবে।
৮) পাঠ শিরোনামের বিপরীতে পাঠাদানের তারীখ উল্লেখ করা হবে।
৯) প্রসপেক্টাসে উল্লেখিত ১ম ১০টি কোর্সপ্লানের সিলেবাস হতে ১ম শ্রেণী অভীক্ষা এবং শেষ ১০টি কোর্স প্লানের সিলেবাস হতে ২য় অভিক্ষা গ্রহণ করা হবে।

৪) একটি পর্বের সিলেবাসকে ২০ ভাগে ভাগ করে ২০ কোর্স প্লান প্রস্তত করা হবে।
৫) প্রতি পর্বের কোন শ্রেনীর একটি বিষয়ের জন্য যতটি ক্লাস থাকবে ততটি ক্লাসের মাধ্যমে ২০টি কোর্স প্লানের পাঠদান এবং রিভিশন সম্পন্ন করা হবে।
৬) প্রতি শ্রেণি পাঠদানের জন্য একটি করে পাঠ শিরোনাম থাকবে।
৭) কোন বিষয়ের ক্লাসের সংখ্যা ২০টির অধিক হলে ১টি কোর্স প্লানের বিপরীত একাধিক পাঠ শিরোনাম থাকবে এবং কোন বিষয়ের ক্লাসের সংখ্য ২০টির কম হলে একাধিক কোর্স প্লানের বিপরীতে একটি পাঠ শিরোনাম থাকবে।
৮) পাঠ শিরোনামের বিপরীতে পাঠাদানের তারীখ উল্লেখ করা হবে।
৯) প্রসপেক্টাসে উল্লেখিত ১ম ১০টি কোর্সপ্লানের সিলেবাস হতে ১ম শ্রেণী অভীক্ষা এবং শেষ ১০টি কোর্স প্লানের সিলেবাস হতে ২য় অভিক্ষা গ্রহণ করা হবে।
শ্রেণি কক্ষে পাঠদান এবং শ্রেণী কাজ মূল্যায়ন কৌশল
১) বিষয় শিক্ষক গণ সপেক্টসে নির্দেশিত পরিকল্পনা মোতাবেক নিজ নিজ ক্লাসে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালোনা করবেন।
বিষয় শিক্ষকগন নিজ নিজ ক্লাসে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালোনা করার সময় শিক্ষার্থীদের (১) পাঠ প্রস্ততি,( ২) পাঠ শোনা, (৩) পাঠ বোঝা, (৪) পাঠে আগ্রহ এবং ৫) নির্দেশনা পালন ইত্যাদি কার্য ক্রম সতর্কতা এবং আন্তরিকতার সাথে সূক্ষ্ম ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রতিটি কার্যক্রম ৪ নম্বরের মধ্যে মূল্যায়ন করে ফলাফল রেকর্ড সংরক্ষণ করবেন।
শেণি কার্যক্রমের ধারাবাহিক মূল্যায়নের মানদন্ড নিন্মরূপ
ধারাবাহিক মূল্যায়নের গ্রেড প্রাপ্ত নম্বর
অতিউত্তম ৪
উত্তম ৩
ভাল ২
অগ্রগতি প্রয়োজন ১
৩) বিষয় শিক্ষকগণ শ্রেণি কক্ষ শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর বলা, উত্তর লেখা, শ্রেণি কক্ষের আলোচনায় অংশগ্রহণ করা, একক, একক কাজ, দলীয় কাজ ইত্যাদি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে তাদের পাঠ প্রস্তত মূল্যায়ন করবেন।

৪) বিষয় শিক্ষকগণ পাঠদান কালে পাঠের প্রতি শিক্ষার্থীদের মনযোগ, সহযোগীতা সক্রিয় অংশ গ্রহণ ইত্যাদি আচরণ পর্যবেক্ষন করে তাদের পাঠশোনা, পাঠ বোঝা এবং পাঠ আগ্রহ ইত্যাদি কার্যক্রম মূন্যায়ন করবেন।
৫) বিষয় শিক্ষকগণ পাঠদান কালে শিক্ষার্থীদের যেসব আদেশ, নিষেধ এবং উপদেশ প্রদান করে থাকেন উহা সূক্ষ্ম ভাবে পর্যদেক্ষণ করে তাদের নির্দেশনা পালন কার্যক্রম মূল্যায়ন করেন।
৬) পাঠদানকালে শিক্ষার্থীদের শিখন ফল শিক্ষকের পাঠ প্রস্ততি, পারদর্শিতা, আন্তরিকতা এবং সতর্ক্তার উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে-এ বিষয়টি স্মরণে রেখেই বিষয় শিক্ষকগণ শ্রেণী কক্ষে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালোনা করবেন।

সংগ্রহ এবং সাংগৃহীত কাজের বাড়ীর কাজ প্রদান মূল্যায়ন কৌশল
১) প্রসপেক্টাসের মাধ্যামে প্রতি বিষয়ে ২০টি কোর্স প্লানের সিলেবাসের মধ্য হতে ৫টি বাড়ির কাজ শিক্ষার্থীদের প্রদান করা হবে।
২) বিষয় শিক্ষকগণ প্রতি পর্বে শিক্ষার্থীদের অনেক গুলো বাড়ির কাজ প্রদান করবেন কিন্ত প্রসপেক্টসে বর্ণিত ৫টি বাড়ির কাজ শিক্ষার্থীদের নিকট হতে সংগ্রহ করে মূল্যায়ন করবেন এবং ফলাফলের রেকর্ড সংরক্ষণ করবেন।
৩) বিষয় শিক্ষকগণ প্রসপেক্টসে উল্লিখিত ৫টি বাড়ির কাজ আদায় করার জন্য একটি সুবিধজনক তারিখ নির্ধারণ করবেন এবং ঐ নির্ধারিত তারিখে শিক্ষার্থীদের নিকট হতে বাড়ির কাজের খাতা সংগ্রহ করে ২০ নম্বরের মধ্যে মূল্যায়ন করবেন।
৪) প্রতিটি বাড়ির কাজ এমন হবে যা শিক্ষার্থীদের চিন্তন দক্ষতার বিকাশ ঘটায় এবং সৃজনশীলতা প্রকাশ করে।
৫) প্রতিটি বাড়ীর কাজ এমন হবে যা শক্ষার্থী ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন করতে পারে শিক্ষার্থীর মুখস্থ করার বা কারো সহযোগীতা গ্রহণ করার প্রয়োজন হবেনা।
৬) বিষয় শিক্ষক গণ প্রতি ০৫টি বাড়ির কাজ একটি খাতার মাধ্যমে আদায় করে তা ২০ নম্বরের মধ্যে মূল্যায়ন করবেন এবং খাতা ও ফলাফলের রেকর্ড সংরক্ষণ করবেন।

শ্রেণি অভীক্ষা গ্রহণ উত্তর পত্র মূল্যায়ন এবং ফলাফল সংরক্ষণ কৌশল:
১) প্রতি পর্বে প্রতি বিষয়ে ২টি করে শ্রেণি অভীক্ষা গ্রহণ করা হবে।প্রতি শ্রেণি অভীক্ষার উত্তরপত্র ১০ নম্বরের মধ্যে মূল্যায়ন করে উত্তরপত্র এবং ফলা ফলের রেকর্ড সংরক্ষণ করা হবে।
২) প্রসপেক্টাসের প্রথম ১০টি কোর্স প্লানের সিলেবাস হতে ১ম শ্রেণি অভীক্ষা এবং শেষ ১০টি কোর্স প্লানের সিলেবাস হতে ২য় শ্রেণি অভীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
৩) শ্রেণি অভীক্ষার প্রশ্ন পত্র কেন্দ্রীয়ভাবে মুদ্রণ করে শ্রেণি অভীক্ষা গ্রহণের পূর্বে উহা বিষয় শিক্ষকের নিকট সরবরাহ করা হবে।অনুরূপে শ্রেণি অভীক্ষার উত্তর পত্র কেন্দ্রীয় ভাবেসর বরাহ করা হবে।
৪) শ্রেণি শিক্ষক গণ বিষয় শিক্ষকের সাথে আলোচনা করে নিজ শ্রেণির শ্রেণি অভীক্ষার সময় সূচি প্রস্তত করবেন এবং তা স্ব স্ব শাখার কো-অডিনেটারের নিকট জমা দিবেন।
৫) প্রতি শ্রেণি অভীক্ষা গ্রহণের সময় ৩৫ মিনিট নির্ধারণ করা হবে।
৬) বিষয় শিক্ষকগণ ৩৫ মিনিট সময়ের ব্যাপ্তি উপযোগী প্রশ্ন পত্র প্রণয়ন করবেন।
৭) একই কার্য দিবসে সর্বাধিক ২টি বিষয়ের শ্রেণি অভীক্ষা থাকবে।
৮) সহকারী প্রধান শিক্ষক (প্রাত:) এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক (দিবা) স্ব স্ব শাখার শ্রেণি অভীক্ষা যথাযথ ভাবে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করবেন।
৯) বিষয় শিক্ষকগণ শ্রেণি অভীক্ষার উত্তর পত্র মূল্যায়ন শেষে প্রাপ্ত নম্বর নম্বরফর্দে তুলে উত্তর পত্র নিজ নিজ শিফটের কো-অর্ডিনেটর এর নিকট জমা রাখবেন।
১০) শ্রেণি অভীক্ষার প্রশ্ন পত্র বিষয় শিক্ষকগণ নিজ দায়িত্বে প্রণয়ন করবেন এবং সরবরাহ করবেন।

আচরনিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং নম্বর প্রদানের মাধ্যমে মূল্যায়ন ঃ
একজন শিক্ষার্থী শুধু মেধাবী হলেই হবে না তাকে একজন ভাল মানুষও হতে হবে ভাল মানুষের গুণাবলী অর্জন করতে হবে। একজন শিক্ষার্থীকে ভাল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবার জন্য তার আচরণ ও দৃষ্টি ভঙ্গীর মূল্যায়ন করা হবে এবং তার ব্যক্তিক উন্নয়নে গুরুত্ব আরোপ করা হবে। ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর ব্যক্তিক আচরণ ও সামাজিক মূল্যবোধ মূল্যায়ন করা হবে। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর আচরণ ও মূল্যবোধর একটি ঘটনা বা ইস্যু দ্বারা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে মূল্যায়ন করাযাবে না। শিক্ষার্থীর বিভিন্ন কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের আচরণ ও মূল্যবোধ সম্পর্কে একটি নির্ভরযোগ্য মূল্যায়ন করা হবে।
বিষয় শিক্ষকগণ নিজ নিজ কক্ষে পাঠদান কালে শিক্ষারথীদের ১) নিয়মানুবর্তিতা, ২) শৃঙ্খলা, ৩) সচেতনতা, ৪০ পরিচ্ছন্নতা, ৫) সহযোগিতা ইত্যাদি কার্যক্রম খুব সতর্কতা এবং আন্তরিকতার সাথে সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষন করবেন এবং প্রতিটি কার্যক্রম (চার) নম্বরের মধ্যে মূল্যায়ন করে ফলাফলের রেকর্ড সংরক্ষণ করবেন।
আচরনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিক মূল্যায়নের মানদণ্ড নিম্নরুপঃ
ধারাবাহিক মূল্যায়নের গ্রেড প্রাপ্ত নম্বর
অতি উত্তম ৪ (সর্বদা কাঙ্ক্ষিত আচরণ প্রদর্শন করে)
ঊত্তম ৩ (মাঝে মাঝে কাঙ্ক্ষিত আচরণ প্রদর্শন করে)
ভাল ২ (কদাচিৎ কাঙ্ক্ষিত আচরণ প্রদর্শন করে)
অগ্রগতি প্রয়োজন ১
৩) কোন শিক্ষার্থী শ্রেণী কক্ষের বাহিরে প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে শৃঙ্খলা পরিপন্থি কোন কাজ (স্কুল পালানো, গল্মাল করা, প্রতিষ্ঠানের সম্পদ নস্ট করা, অসামাজিক কাজে লিপ্ত হওয়া,…।।) করলে তার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয়ভাবে সকলের অবগতির জন্য নোটিশ প্রদান করা হবে এবং সকল বিষয় শিক্ষক তার এ ধরণের আচরণকে ধারাবাহিক মূল্যায়নের অন্তর্ভুক্ত করবেন।
৪) বিষয় শিক্ষকগণ পাঠদান কালে আচরণের ৫ কার্যক্রম সতর্কতা সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে মূল্যায়ন করবেন।
শ্রেণী শিক্ষক ও বিষয় শিক্ষকের করণীয়ঃ
শ্রেণী শিক্ষক এবং বিষয় শিক্ষকগণ পেশাগত নিষ্ঠা, সততা এবং নৈতিকতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের আদর্শ শিক্ষা এবং পাঠদান সংক্রান্ত কার্যক্রম সু-সম্পন্ন করবেন।
শিক্ষার্থীদের শ্রেণীর কাজ, বাড়ির কাজ, শ্রেণী অভিক্ষা, উপস্থিতি, আচরণ ইত্যাদি সংক্রান্ত ফার্যক্রম সুষ্ঠু, সঠিক এবং আন্তরিক ভাবে সম্পন্ন করবেন।
প্রতি শ্রেণীর প্রতি শিক্ষার্থীর শ্রেণির কাজ, বাড়ির কাজ, উপস্থিতি, আচরণ এবং শ্রেণী অভিক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সর্বাদা সুওসম্পন্নভাবে প্রস্তুত রাখতে হবে যাতে করে উর্ধবতন কর্তৃপক্ষের আকস্মিক পরিদর্শনে তার সথিকভাবে উপস্থাপন করা যায়।পাঠদান সংক্রান্ত কার্যক্রম সভাপতি মহোদয় এবং অধ্যক্ষ মহোদয় আকস্মিক পরিসরশনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করবেন।
শ্রেণী শিক্ষক ও বিষয় শিক্ষকগণ তাদের গতিশীল কর্মকান্ডের মাধ্যমে শিক্ষার্থাইদের আদর্শ শিক্ষা এবং সঠিক পাঠ গ্রহনে গতিশীলজ রাখবেন।
১ম শ্রেণি-১০শ্রেণী পর্যন্ত সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ধারাবাহিক মূল্যায়ন কার্যকরী ও সংরক্ষণ রাখবেন।

উত্তীর্ণ শক্ষার্থীদের মেধাস্থান নির্ধারন পদ্ধতিঃ
১। যে সকল ছাত্র-ছাত্রী সকল পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে সকল বিষয়ে উত্তীর্ণ হবে তাদেরকে প্রথম মেধা তালিকায় অন্তর্ভুক্তকরবণ।
২। যে সকল ছাত্র-ছাত্রী সকল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে এবং বার্ষিক পরীক্ষায় সকল বিষয়ে কৃতকার্য হয়ে ১ম সাময়িক পরীক্ষায় এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়ে গড়ে কৃতকার্য হবে তাদের ২য় মেধাতালিকায় অন্তর্ভুক্তকরণ।
৩। যে সকল ছত্র-ছাত্রী শুধু বার্ষিক পরীক্ষার সকল বিষয়ে কৃতকার্য হবে তাদের ৩য় মেধা তালিকায় অন্তর্ভুক্তকরণ। শুধুমাত্র বার্ষিক পরীক্ষার নমরের ভিত্তিতে তাদের মেধা তালিকা প্রস্তুত করণ।
৪। যে সকল ছাত্র-ছাত্রী ২ টি পার্বিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে কিন্তু অসুস্থতাজনিত কারণে এক বা একাধিক বিষয়ে না করলে তাদের বার্ষিক পরীক্ষায় প্রতি বিষয়ে পাশ নম্বরসহ প্রতি বিষয়ে গড়ে পাশ নম্বর থাকলে তাদের ২য় শ্রেণীর মেধাতালীকায় অন্তর্ভুক্তকরণ। গড়ে পাশ নম্বর না থাকলে ৩য় মেধা তালিকায় অন্তর্ভুক্তকরণ।
৫। কোন ছাত্র-ছাত্রী চুড়ান্ত পর্বের কোন এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়ে কমপক্ষে ২৫ নম্বর পেলে তাকে বিশেষ বিবেচনায় উত্তীর্ণকরণ।
৬। অনুত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীকে কোন ভাবেই পরবর্তী শ্রেণীতে উত্তীর্ণ করা হবে না।
৭। বদলী জনিত কারণে বীএন কলেজ ঢাকা অথবা বিএন কলেজ চট্টগ্রাম হতে কোন ছাত্র-ছাত্রী বিএন কলেজ খুলনায় ভর্তি হবে তাদের পুর্বের প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্ত নম্বর ফলাফল তৈরীর ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তকরণ।
৮। পুর্বের প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্ত নম্বর গ্রেডে নির্ধারণ করলে ঐ গ্রেডের মধ্যবর্তী নম্বরকে প্রাপ্ত নম্বর ধরে ফলাফল তৈরীকরণ।

A+ ৯০
A ৭৫
A- ৬৫
B ৫৫
C ৪৫
D ৩৫
৯। অনিবার্য কারণবশত যেমন পিতা-মাতা বা নিকটাতব্জীয়ের মৃত্যু হা নিজের অসুস্থতার কারণে অনুপস্থিত থাকলে পূর্ববর্তী পরীক্ষার ফলাফলের পাশ নম্বরের ভিত্তিতে বিশেষ বিবেচনায় উত্তীর্ণকরণ।